মুদ্রা
BDT USD মূল্য প্রতিটি প্রোভাইডারের দেওয়া হিসেবেই বাংলাদেশি টাকায় (BDT) দেখানো হয়েছে।

ভ্রমণ

কক্সবাজার দর্শনীয় স্থান: ২৫টি জায়গার তালিকা (ম্যাপ ও দূরত্বসহ)

কক্সবাজার দর্শনীয় স্থান: ২৫টি জায়গার তালিকা (ম্যাপ ও দূরত্বসহ)

কক্সবাজার মানে শুধু সমুদ্রসৈকত নয়। পাহাড়, ঝর্ণা, দ্বীপ, বন ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন মিলিয়ে এই জেলায় ছড়িয়ে আছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান। এই গাইডে কক্সবাজার ও আশপাশের ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ জায়গার তালিকা, প্রতিটির দূরত্ব, যেতে কত সময় লাগে এবং কীভাবে যাবেন — সবকিছু একসাথে সাজিয়ে দেওয়া হলো।

🗺️ এক নজরে কক্সবাজার

কক্সবাজার জেলা ৮টি উপজেলা নিয়ে গঠিত: কক্সবাজার সদর, চকরিয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী, পেকুয়া, রামু, টেকনাফ ও উখিয়া। পর্যটকদের绝大部分 শহরের আশপাশে ও মেরিন ড্রাইভ বরাবর ভ্রমণ করেন। তবে ভেতরের উপজেলাগুলোতেও রয়েছে কম পরিচিত কিন্তু সুন্দর স্থান।

💡 দূরত্ব বোঝার সহজ নিয়ম

  • শহরের ভেতরে: ১-৫ কিমি, ৫-১৫ মিনিট
  • শহরের কাছে: ৫-১৫ কিমি, ১৫-৩০ মিনিট
  • মেরিন ড্রাইভ ধরে: ২০-৮০ কিমি, ৪৫ মিনিট-২ ঘণ্টা
  • দ্বীপপুঞ্জ: নৌপথে ৩০ মিনিট-২ ঘণ্টা

⚠️ মনে রাখবেন: এই পেজে দেওয়া দূরত্ব ও সময় আনুমানিক। ট্রাফিক, আবহাওয়া ও যানবাহনের ধরন অনুযায়ী সময় কম-বেশি হতে পারে।

🏖️ শহরের কাছের দর্শনীয় স্থান (১-৫ নং)

কক্সবাজার শহরের ভেতরে ও অদূরেই রয়েছে বেশ কিছু জনপ্রিয় স্থান। এগুলোতে অটো-রিকশা বা টমটমে সহজেই যাওয়া যায় এবং খুব কম সময়ে ঘুরে আসা সম্ভব।

১. সুগন্ধা বিচ

কক্সবাজার শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত সুগন্ধা পয়েন্ট পর্যটকদের জন্য সবচেয়ে সহজলভ্য সৈকত এলাকা। লাবণী পয়েন্ট ও কলাতলী পয়েন্টের মাঝামাঝি এই সৈকতে হাঁটা, সূর্যাস্ত দেখা ও ছবি তোলার সুবিধা রয়েছে। শহরের 주요 হোটেল ও রেস্টুরেন্ট থেকে হেঁটেই পৌঁছানো যায়।

দূরত্ব: শহরের কেন্দ্র থেকে হাঁটার দূরত্ব। সময়: ৫-১০ মিনিট হাঁটা।

২. লাবণী পয়েন্ট

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সবচেয়ে ব্যস্ত ও প্রাণবন্ত অংশ। ঘোড়ার গাড়ি, ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকান, ঝিনুকের গয়না বিক্রেতা — সব মিলিয়ে এক ভিন্ন পরিবেশ। সন্ধ্যায় এখানে ভিড় বেশি থাকে।

দূরত্ব: শহর থেকে প্রায় ২ কিমি। সময়: ৫-১০ মিনিট (অটো/টমটম)।

৩. কলাতলী পয়েন্ট

লাবণীর চেয়ে কিছুটা শান্ত, তবে এখন কলাতলীতেও প্রচুর হোটেল ও রেস্টুরেন্ট গড়ে উঠেছে। মেরিন ড্রাইভের সূচনাও এখান থেকেই।

দূরত্ব: শহর থেকে প্রায় ৩ কিমি। সময়: ১০ মিনিট।

৪. দরিয়ানগর

পাহাড় ও সমুদ্রের মিলনস্থল। ছোট একটি পার্ক ও পাহাড়ি রাস্তা রয়েছে। পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর জন্য উপযুক্ত।

দূরত্ব: শহর থেকে প্রায় ৪ কিমি। সময়: ১০-১৫ মিনিট।

৫. কাকড়া বিচ (আনারস বিচ)

ঝাউবন আর লাল কাঁকড়ার জন্য পরিচিত একটি শান্ত সৈকত। ভিড় কম থাকায় প্রকৃতির নৈসর্গ উপভোগের জন্য ভালো জায়গা।

দূরত্ব: শহর থেকে প্রায় ১১ কিমি। সময়: ২০-২৫ মিনিট।

🛣️ মেরিন ড্রাইভের পাশে (৬-১২ নং)

কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর সড়কগুলোর একটি। একদিকে সমুদ্র, অন্যদিকে পাহাড় — এই রাস্তা ধরেই পৌঁছানো যায় অসংখ্য দর্শনীয় স্থানে।

৬. হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান ও ঝর্ণা

কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে পাহাড়ের কোলে অবস্থিত। ঝর্ণা, পাহাড়ি ট্রেইল ও সমুদ্রের দৃশ্যের জন্য জনপ্রিয়। বর্ষাকালে ঝর্ণার পানি বেশি থাকে।

দূরত্ব: ১২ কিমি। সময়: ২০-৩০ মিনিট (সিএনজি/জিপ)।

৭. ইনানী বিচ

কক্সবাজারের প্রধান সৈকতের চেয়ে অনেক শান্ত ও পরিচ্ছন্ন। প্রবাল পাথর আর নীল পানির জন্য পরিচিত। মেরিন ড্রাইভ ধরে যেতে হয়।

দূরত্ব: প্রায় ৩০ কিমি। সময়: ৪৫ মিনিট-১ ঘণ্টা।

৮. পাটুয়ারটেক বিচ

ইনানীর কাছেই আরেকটি কম ভিড়ের সৈকত। পাহাড়, সমুদ্র ও পাথুরে সৈকতের মিশ্রণ। প্রবাল স্টেশন নামেও পরিচিত।

দূরত্ব: প্রায় ৩৫ কিমি। সময়: ১ ঘণ্টা।

৯. জাহাজপুরা গর্জন ফরেস্ট

শতবর্ষী গর্জন গাছের বিশাল বন। মেরিন ড্রাইভ ধরে টেকনাফের পথে পড়ে। ছায়াঘেরা পরিবেশ ও বিশাল গাছ দেখতে পর্যটকদের ভিড় থাকে।

দূরত্ব: প্রায় ৫৫ কিমি। সময়: ১.৫-২ ঘণ্টা।

১০. টেকনাফ বিচ

বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সর্বদক্ষিণের সৈকত। নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের মিলনস্থলের কাছে। মূল কক্সবাজার সৈকতের চেয়ে অনেক শান্ত।

দূরত্ব: প্রায় ৮০ কিমি। সময়: ২-২.৫ ঘণ্টা।

১১. সাবরাং জিরো পয়েন্ট

টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নে অবস্থিত। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের কাছে। সমুদ্র, নাফ নদী ও পাহাড়ের ত্রিবেণী সঙ্গম।

দূরত্ব: প্রায় ৮৫ কিমি। সময়: ২.৫ ঘণ্টা।

১২. শাহপরীর দ্বীপ

টেকনাফ উপজেলায় অবস্থিত। সেন্টমার্টিন যাওয়ার জেটি এখানেই। দ্বীপ থেকে মিয়ানমারের মংডু পাহাড় দেখা যায়।

দূরত্ব: প্রায় ৮০ কিমি। সময়: ২ ঘণ্টা।

🌊 দক্ষিণ কক্সবাজার ও টেকনাফের আরও স্থান (১৩-১৭ নং)

১৩. সেন্টমার্টিন দ্বীপ

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। টেকনাফ থেকে জাহাজে যেতে হয়। স্বচ্ছ পানি, প্রবাল ও কোকোস নারকেলের জন্য বিখ্যাত। শীতকালে ভ্রমণের সেরা সময়।

দূরত্ব: কক্সবাজার থেকে টেকনাফ ৮০ কিমি + জাহাজে ২ ঘণ্টা। মোট সময়: প্রায় ৪ ঘণ্টা।

১৪. ছেঁড়াদ্বীপ

সেন্টমার্টিনের পাশে ছোট একটি দ্বীপ। ভিড় কম, শান্ত পরিবেশ। সেন্টমার্টিন থেকে নৌকায় যাওয়া যায়।

দূরত্ব: সেন্টমার্টিন থেকে নৌকায় ১৫-২০ মিনিট।

১৫. বাহারছড়া শামলাপুর

টেকনাফের পথে ছোট একটি সৈকত এলাকা। স্থানীয় মাছ ধরার দৃশ্য ও শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।

দূরত্ব: প্রায় ৫০ কিমি। সময়: ১.৫ ঘণ্টা।

১৬. হ্নীলা বিচ

টেকনাফ উপজেলায় অবস্থিত কম পরিচিত সৈকত। স্থানীয় জীবনের সাথে সমুদ্রের মিলন দেখতে পাওয়া যায়।

দূরত্ব: প্রায় ৭০ কিমি। সময়: ২ ঘণ্টা।

১৭. মিঠাছড়ি

টেকনাফের কাছে পাহাড়ি এলাকা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।

দূরত্ব: প্রায় ৭৫ কিমি। সময়: ২ ঘণ্টা।

🏝️ দ্বীপ ও উপকূলীয় স্থান (১৮-২০ নং)

১৮. মহেশখালী দ্বীপ

কক্সবাজার থেকে নৌকায় যাওয়া যায়। আদিনাথ মন্দির ও বৌদ্ধ বিহারের জন্য পরিচিত। শুঁটকির বাজারও এখানে দেখা যায়।

দূরত্ব: নৌকায় ৩০-৪৫ মিনিট।

১৯. সোনাদিয়া দ্বীপ

মহেশখালীর পাশে ছোট দ্বীপ। পর্যটন পার্ক ও সমুদ্র সৈকত রয়েছে। কক্সবাজার থেকে নৌকায় যেতে হয়।

দূরত্ব: নৌকায় ১-১.৫ ঘণ্টা।

২০. কুতুবদিয়া দ্বীপ

কক্সবাজার জেলার সবচেয়ে উত্তরের দ্বীপ। বাতিঘর ও শান্ত সৈকতের জন্য পরিচিত। মূল শহর থেকে বেশ দূরে।

দূরত্ব: প্রায় ৭০ কিমি (সড়ক ও নৌপথ মিলিয়ে)। সময়: ৩-৪ ঘণ্টা।

🌳 কক্সবাজারের ভেতরের স্থান (২১-২৫ নং)

কক্সবাজার শহর ও সমুদ্র থেকে দূরে, জেলার ভেতরের উপজেলাগুলোতেও রয়েছে ভ্রমণের মতো স্থান। এগুলোতে যেতে কিছুটা বেশি সময় লাগলেও ভিড় কম পাওয়া যায়।

২১. ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক

চকরিয়া উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের বড় সাফারি পার্ক। বন্যপ্রাণী, হাতি, বাঘ, সিংহ ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখি রয়েছে। পরিবার নিয়ে দিনভর সময় কাটানোর জন্য ভালো জায়গা।

দূরত্ব: প্রায় ৪৮ কিমি। সময়: ১-১.৫ ঘণ্টা।

২২. রামু রাবার বাগান

রামু উপজেলায় অবস্থিত রাবার বাগান। সবুজ পাহাড় ও গাছের সারি। ভোরে রাবার সংগ্রহের দৃশ্য দেখা যায়।

দূরত্ব: প্রায় ১৫ কিমি। সময়: ৩০ মিনিট।

২৩. রামু ক্যান্টনমেন্ট ও নারিকেল বাগান

রামুতে অবস্থিত সেনানিবাস এলাকা। পাশে এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ নারিকেল বাগান ও বোটানিক্যাল গার্ডেন রয়েছে।

দূরত্ব: প্রায় ১৮ কিমি। সময়: ৩৫ মিনিট।

২৪. রামকুট তীর্থধাম

রামু উপজেলার রাজারকুলে অবস্থিত বৌদ্ধ তীর্থস্থান। প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব রয়েছে।

দূরত্ব: প্রায় ২০ কিমি। সময়: ৪০ মিনিট।

২৫. খান বিচ, ইসলামপুর

কক্সবাজার শহরের কাছে চিংড়িঘের ও সবুজ পরিবেশে ঘেরা একটি শান্ত স্থান। বিকেলে ঘুরতে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত।

দূরত্ব: প্রায় ১০-১২ কিমি। সময়: ২৫ মিনিট।

📊 দূরত্ব ও সময়ের সারসংক্ষেপ

নিচের টেবিলে কক্সবাজার শহর থেকে প্রধান স্থানগুলোর আনুমানিক দূরত্ব ও যাত্রার সময় দেওয়া হলো।

স্থানের নাম দূরত্ব (আনুমানিক) সময় (আনুমানিক)
সুগন্ধা বিচশহরের ভেতর৫-১০ মিনিট
লাবণী পয়েন্ট২ কিমি৫-১০ মিনিট
কলাতলী পয়েন্ট৩ কিমি১০ মিনিট
দরিয়ানগর৪ কিমি১০-১৫ মিনিট
কাকড়া বিচ১১ কিমি২০-২৫ মিনিট
হিমছড়ি১২ কিমি২০-৩০ মিনিট
রামু রাবার বাগান১৫ কিমি৩০ মিনিট
ইনানী বিচ৩০ কিমি৪৫ মিনিট-১ ঘণ্টা
পাটুয়ারটেক৩৫ কিমি১ ঘণ্টা
ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক৪৮ কিমি১-১.৫ ঘণ্টা
জাহাজপুরা৫৫ কিমি১.৫-২ ঘণ্টা
টেকনাফ৮০ কিমি২-২.৫ ঘণ্টা
সাবরাং জিরো পয়েন্ট৮৫ কিমি২.৫ ঘণ্টা
মহেশখালীনৌপথ৩০-৪৫ মিনিট
সোনাদিয়ানৌপথ১-১.৫ ঘণ্টা
সেন্টমার্টিন৮০ কিমি + নৌপথপ্রায় ৪ ঘণ্টা

⚠️ সতর্কতা: দূরত্ব ও সময় রাস্তার অবস্থা, ট্রাফিক ও যানবাহনের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে। যাত্রার আগে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে নেওয়া ভালো।

✅ ভ্রমণ টিপস

  • সেরা সময়: নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি। আবহাওয়া শুষ্ক ও আরামদায়ক।
  • যাতায়াত: শহরের ভেতরে অটো/টমটম, দূরের জন্য সিএনজি বা রিজার্ভ গাড়ি।
  • মেরিন ড্রাইভ: সকালে রওনা দিলে ভিড় কম পাওয়া যায় ও দিনভর সময় পাওয়া যায়।
  • সেন্টমার্টিন: শীতকালে যাওয়া ভালো। বর্ষাকালে সমুদ্র উত্তাল থাকে।
  • সতর্কতা: সমুদ্রে গোসলে নামার আগে স্থানীয় নির্দেশনা মেনে চলুন।
  • খাবার: দাম জিজ্ঞেস করে খাবার অর্ডার করুন, বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছের ক্ষেত্রে।
  • পোশাক: রোদ থেকে বাঁচতে টুপি, সানগ্লাস ও সানস্ক্রিন সাথে রাখুন।

💡 একদিনে কতগুলো স্থান ঘোরা যায়?

শহরের কাছের স্থানগুলো (সুগন্ধা, লাবণী, কলাতলী, দরিয়ানগর) একদিনে সহজে ঘোরা যায়। মেরিন ড্রাইভের স্থানগুলো (হিমছড়ি, ইনানী, পাটুয়ারটেক) আরেকদিনের পরিকল্পনা। টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনের জন্য আলাদা দিন রাখা ভালো।

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

কক্সবাজারে ঘোরার জন্য সবচেয়ে কাছের দর্শনীয় স্থান কোনগুলো?

কক্সবাজার শহর থেকে সবচেয়ে কাছের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে সুগন্ধা বিচ (শহরের ভেতরেই), লাবণী পয়েন্ট (২ কিমি), কলাতলী পয়েন্ট (৩ কিমি), দরিয়ানগর (৪ কিমি) এবং হিমছড়ি (১২ কিমি)। এসব স্থানে অটো-রিকশা বা সিএনজিতে সহজেই যাওয়া যায়।

কক্সবাজার থেকে ইনানী বিচের দূরত্ব কত এবং কত সময় লাগে?

কক্সবাজার শহর থেকে ইনানী বিচের দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার এবং মেরিন ড্রাইভ হয়ে সিএনজি বা গাড়িতে যেতে সাধারণত ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা সময় লাগে।

সেন্টমার্টিন যেতে কত সময় লাগে?

কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সড়কপথে প্রায় ২ ঘণ্টা সময় লাগে। এরপর টেকনাফ জেটি থেকে জাহাজে সেন্টমার্টিন পৌঁছাতে আরও প্রায় ২ ঘণ্টা সময় লাগে। মোট যাত্রা প্রায় ৪ ঘণ্টা।

কক্সবাজারে ঘোরাঘুরির জন্য কীভাবে যাতায়াত করব?

কক্সবাজার শহরের ভেতরে অটো-রিকশা বা টমটমে ভাড়ায় যাওয়া যায়। দূরের স্থানগুলোর জন্য সিএনজি, জিপ বা রিজার্ভ গাড়ি ভাড়া করা সুবিধাজনক। মেরিন ড্রাইভ ধরে ভ্রমণের জন্য ট্যুরিস্ট জিপ বা বাস ব্যবহার করা যেতে পারে।

কক্সবাজার ভ্রমণের সেরা সময় কোনটি?

নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস কক্সবাজার ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে আরামদায়ক সময়। তখন আবহাওয়া শুষ্ক ও ঠান্ডা থাকে এবং সমুদ্র শান্ত থাকে। বর্ষাকালে (জুন-সেপ্টেম্বর) ভ্রমণ এড়িয়ে চলা ভালো।

📝 জরুরি তথ্য

• এই পেজে দেওয়া দূরত্ব, সময় ও ভাড়া আনুমানিক এবং পরিবর্তনশীল।

• সেন্টমার্টিন যাত্রার আগে জাহাজের সময়সূচি যাচাই করে নিন।

• Coxroom.com শুধু তথ্য সরবরাহ করে; ভ্রমণ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ব্যবহারকারীর নিজস্ব।

• সমুদ্র সৈকতে নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলুন।

লেখাটি যেভাবে বলে, সেভাবে সফর সাজান

এই ডিরেক্টরির আসল তালিকা — হোটেল বা সেবাদাতার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করুন। CoxRoom কোনো বুকিং নেয় না।

হোটেল

সব হোটেল দেখুন

দর্শনীয় স্থান

সব দর্শনীয় স্থান দেখুন