মুদ্রা
মূল্য প্রতিটি প্রোভাইডারের দেওয়া হিসেবেই বাংলাদেশি টাকায় (BDT) দেখানো হয়েছে।

ভ্রমণ

কক্সবাজার রাতের খাবার: কোথায় খাবেন ও খোলার সময়

কক্সবাজারে সন্ধ্যা নামলেই সমুদ্রসৈকতের পাশে জমে ওঠে খাবারের আমেজ। দিনভর ঘোরাঘুরির ক্লান্তি কাটাতে অনেকেই খোঁজেন রাতের খাবারের সেরা জায়গা। এই গাইডে কক্সবাজারে রাতের খাবারের জন্য জনপ্রিয় কিছু রেস্টুরেন্ট, কী কী খাবার পাওয়া যায়, খোলার সময় এবং কোন বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন—সবকিছু সহজ বাংলায় সাজানো হলো।

💡 সংক্ষেপে: কক্সবাজারে রাতের খাবারের জন্য হান্ডি, সল্ট বিস্ট্রো, রূপসী বাংলা, পৌষী ও সৈকতের পাশের বিচ ক্যাফেগুলো জনপ্রিয়। বেশিরভাগ রেস্টুরেন্ট রাত ১১টা থেকে ১টার মধ্যে বন্ধ হয়। খোলার সময় ঋতু ও রেস্টুরেন্টভেদে বদলাতে পারে, তাই যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।

🍽️ রাতের খাবারের সেরা রেস্টুরেন্ট

কক্সবাজারে রাতের খাবারের জন্য বিভিন্ন ধরনের রেস্টুরেন্ট রয়েছে—স্থানীয় স্বাদের রেস্টুরেন্ট থেকে শুরু করে ব্র্যান্ড রেস্টুরেন্ট ও বিচ ক্যাফে। নিচে কিছু পরিচিত ও জনপ্রিয় রেস্টুরেন্টের তথ্য দেওয়া হলো। মনে রাখবেন, রেস্টুরেন্টের মান ও পরিষেবা সময়ের সাথে পরিবর্তন হতে পারে; এটি কোনো সুপারিশ বা গ্যারান্টি নয়।

হান্ডি (কক্সবাজার শাখা)

হান্ডি বাংলাদেশের একটি পরিচিত রেস্টুরেন্ট চেইন। কক্সবাজার শাখাটি লাবনী পয়েন্ট এলাকায় অবস্থিত। এখানে উত্তর ভারতীয় খাবার, হায়দারাবাদী বিরিয়ানি, ভারতীয় কারি এবং স্থানীয় খাবার পাওয়া যায় । হায়দারাবাদী বিরিয়ানি এখানকার জনপ্রিয় পদ হিসেবে পরিচিত। খোলার সময় সাধারণত সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ।

সল্ট বিস্ট্রো অ্যান্ড ক্যাফে

সল্ট বিস্ট্রো অ্যান্ড ক্যাফে নিউ বিচ রোডে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় রেস্টুরেন্ট। এখানে বিভিন্ন ধরনের খাবার পাওয়া যায়। খোলার সময় সাধারণত সকাল ১১টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ।

রূপসী বাংলা রেস্টুরেন্ট

রূপসী বাংলা রেস্টুরেন্ট সুগন্ধা পয়েন্টের কাছে অবস্থিত। এটি দীর্ঘ সময় খোলা থাকে—ভোর ৬টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত । রাতের খাবারের জন্য দেরিতে গেলেও এখানে খাবার পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

পৌষী রেস্টুরেন্ট

পৌষী রেস্টুরেন্ট সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকায় অবস্থিত। খোলার সময় সকাল ৭টা থেকে রাত ১১:৩০ পর্যন্ত । স্থানীয় ও বাংলাদেশি খাবারের জন্য পরিচিত।

মারমেইড ক্যাফে

মারমেইড ক্যাফে সুগন্ধা বিচ এলাকায় অবস্থিত একটি বিচ ক্যাফে। খোলার সময় সাধারণত দুপুর ১২টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত। সৈকতের পাশে বসে খাবার উপভোগের জন্য জনপ্রিয়।

রেস্টুরেন্ট অবস্থান বিশেষত্ব
হান্ডি লাবনী পয়েন্ট হায়দারাবাদী বিরিয়ানি, ভারতীয় ও স্থানীয় খাবার
সল্ট বিস্ট্রো অ্যান্ড ক্যাফে নিউ বিচ রোড বিভিন্ন ধরনের খাবার; ক্যাফে পরিবেশ
রূপসী বাংলা সুগন্ধা পয়েন্ট দেরি পর্যন্ত খোলা; বাংলাদেশি খাবার
পৌষী রেস্টুরেন্ট সুগন্ধা পয়েন্ট স্থানীয় ও বাংলাদেশি খাবার
মারমেইড ক্যাফে সুগন্ধা বিচ বিচ ক্যাফে; সৈকতের পাশে খাবার

ℹ️ জানুন: এছাড়াও কক্সবাজারে আল-গনি রেস্টুরেন্ট, ঝাউবন রেস্টুরেন্ট, তাব্বাক রেস্টুরেন্ট, সি ল্যাম্প বিচ ক্যাফে, ডিভাইন সি স্টোন ক্যাফে, রক এন রোল ক্যাফে ইত্যাদি রেস্টুরেন্ট রয়েছে। প্রতিটির নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও খাবারের ধরন আছে। স্থানীয়দের কাছ থেকে সেরা রেস্টুরেন্টের পরামর্শ নিতে পারেন।

⏰ খোলার সময় এক নজরে

কক্সবাজারের রেস্টুরেন্টগুলোর খোলার সময় আলাদা আলাদা। নিচের টেবিলে কিছু রেস্টুরেন্টের সাধারণ খোলার সময় দেওয়া হলো। মনে রাখবেন: এই সময়গুলো সাধারণ তথ্য এবং পরিবর্তন হতে পারে। বিশেষ করে ছুটির দিন, পর্যটন মৌসুম বা স্থানীয় পরিস্থিতির কারণে সময় বদলাতে পারে। তাই যাওয়ার আগে সরাসরি রেস্টুরেন্টে যোগাযোগ করে বা স্থানীয়ভাবে যাচাই করে নেওয়া ভালো।

রেস্টুরেন্ট সাধারণ খোলার সময় তথ্যসূত্র
হান্ডি (কক্সবাজার) সকাল ৮:০০ – রাত ১১:০০ Trip.com, Tripadvisor
সল্ট বিস্ট্রো অ্যান্ড ক্যাফে সকাল ১১:০০ – রাত ১১:০০ Trip.com, Tripadvisor
রূপসী বাংলা রেস্টুরেন্ট ভোর ৬:০০ – রাত ১:০০ Trip.com, Tripadvisor
পৌষী রেস্টুরেন্ট সকাল ৭:০০ – রাত ১১:৩০ Trip.com, Tripadvisor
মারমেইড ক্যাফে দুপুর ১২:০০ – রাত ১১:০০ Trip.com

⚠️ সময় সম্পর্কে সতর্কতা: উপরের সময়গুলো তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত সাধারণ তথ্য। রেস্টুরেন্টের প্রকৃত খোলার সময় বদলে যেতে পারে। কোনো নির্দিষ্ট সময়ে রেস্টুরেন্ট খোলা থাকার নিশ্চয়তা Coxroom.com দেয় না।

💡 খোলার সময় নিয়ে টিপস

  • রাতের খাবারের জন্য সাধারণত রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে যাওয়া ভালো—তখন খাবার তাজা ও পরিবেশ জমজমাট থাকে।
  • দেরিতে যেতে চাইলে রূপসী বাংলার মতো দীর্ঘ সময় খোলা থাকা রেস্টুরেন্ট বেছে নিন।
  • পর্যটন মৌসুমে বা ছুটির দিনে আগে যাওয়া ভালো—ভিড় বাড়লে অপেক্ষা করতে হতে পারে।
  • যাওয়ার আগে ফোনে খোলা আছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।

🍤 কী কী খাবার পাওয়া যায়

কক্সবাজারের রাতের খাবারে বৈচিত্র্য রয়েছে। স্থানীয় বাংলাদেশি খাবার থেকে শুরু করে সি-ফুড, ভারতীয় খাবার এবং বিচ ক্যাফেগুলোতে কন্টিনেন্টাল খাবার—সবই পাওয়া যায়।

🐟 সি-ফুড

  • • তাজা মাছের বিভিন্ন পদ
  • • চিংড়ি ও কাঁকড়া
  • • লইট্টা ফ্রাই
  • • রূপচাঁদা ফ্রাই

🍛 বাংলাদেশি খাবার

  • • ভাত, মাছ, মাংস
  • • বিভিন্ন ভর্তা
  • • চট্টগ্রাম স্টাইলের মাংস
  • • স্থানীয় মিষ্টি

🍚 ভারতীয় খাবার

  • • হায়দারাবাদী বিরিয়ানি
  • • বিভিন্ন কারি
  • • উত্তর ভারতীয় পদ

🍔 বিচ ক্যাফে খাবার

  • • বার্গার ও স্যান্ডউইচ
  • • পাস্তা
  • • কফি ও পানীয়
  • • হালকা নাস্তা

স্থানীয়দের মতে, কক্সবাজারের কিছু রেস্টুরেন্টে চট্টগ্রাম অঞ্চলের স্বাদে রান্না করা মাছ ও মাংসের পদ জনপ্রিয়। সি-ফুড পছন্দ করলে সৈকতের পাশের রেস্টুরেন্টগুলোতে তাজা মাছের 다양한 পদ পাওয়া যায়। যারা ঝাল কম খেতে চান, তাদের জন্য অর্ডার করার সময় ঝাল কম দেওয়ার অনুরোধ করা ভালো।

💡 খাবার বাছাইয়ের টিপস

  • সি-ফুড অর্ডার করার আগে দাম ও পরিমাণ জেনে নিন—কিছু জায়গায় ওজন অনুযায়ী দাম হতে পারে।
  • স্থানীয় খাবার চাইলে স্থানীয়দের কাছে জিজ্ঞেস করুন বা কম ভিড়ের রেস্টুরেন্টে যান।
  • খাবারের তীব্রতা (ঝাল) সম্পর্কে আগে থেকে জানিয়ে দিন।
  • অ্যালার্জি থাকলে উপকরণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে নিন।

🌊 সৈকতের পাশে রাতের খাবার

কক্সবাজারে রাতের খাবারের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো সৈকতের পাশে খাবার। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ আর ঠান্ডা বাতাসে ভাত-মাছ-মাংস কিংবা বিচ ক্যাফের খাবার—এক আলাদা অভিজ্ঞতা। লাবনী পয়েন্ট, সুগন্ধা পয়েন্ট এবং কলাতলী এলাকায় সৈকতসংলগ্ন অনেক রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফে রয়েছে।

সৈকতের পাশে ছোট ছোট শ্যাক ও স্টলেও স্থানীয় খাবার পাওয়া যায়। এসব জায়গায় সাধারণত সন্ধ্যার পর ভিড় বাড়ে। তবে খাবারের মান ও পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে ভালোভাবে দেখে নেওয়া ভালো। কিছু রেস্টুরেন্টে সৈকতের দিকে জানালা বা ছাদ থাকে, যেখান থেকে সমুদ্র দেখা যায়—রাতের খাবারের জন্য এমন জায়গা বেছে নিতে পারেন।

ℹ️ মনে রাখবেন: সৈকতের পাশে খোলা জায়গায় খাবার খাওয়ার সময় নিজের মালামালের দিকে খেয়াল রাখুন। রাতের বেলা সৈকতে একা দূরে যাওয়া এড়িয়ে চলুন।

💡 রাতের খাবারের টিপস

কক্সবাজারে রাতের খাবার উপভোগ করতে কিছু বিষয় মাথায় রাখলে অভিজ্ঞতা আরও ভালো হয়।

১

সময়ের পরিকল্পনা করুন

রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে খেতে গেলে ভিড় কম থাকে এবং খাবার তাজা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। দেরিতে গেলে আগে খোলা আছে কিনা নিশ্চিত করুন।

২

মেনু ও দাম দেখে নিন

অর্ডার করার আগে মেনুতে দাম দেখে নিন। সি-ফুডের ক্ষেত্রে দাম ওজন অনুযায়ী হতে পারে, তাই পরিষ্কারভাবে জেনে নিন।

৩

স্থানীয়দের পরামর্শ নিন

হোটেলের স্টাফ বা স্থানীয়দের কাছে ভালো রেস্টুরেন্টের পরামর্শ চাইতে পারেন। তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগতে পারে।

৪

পরিচ্ছন্নতা দেখুন

রেস্টুরেন্টের পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা দেখে নিন। বিশেষ করে সৈকতের পাশের ছোট স্টলগুলোর ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন।

🛡️ সতর্কতা ও জরুরি তথ্য

রাতের বেলা কক্সবাজারে খাবার খেতে গেলে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা ভালো।

⚠️ যা এড়িয়ে চলবেন

  • • অপরিচ্ছন্ন বা ভিড়ের মধ্যে সন্দেহজনক খাবার
  • • রাতের বেলা সৈকতে একা দূরে যাওয়া
  • • অতিরিক্ত ঝাল বা নতুন খাবার একসাথে অনেক খাওয়া
  • • মেয়াদোত্তীর্ণ বা খোলা খাবার কেনা

✅ যা করবেন

  • • ভালোভাবে রান্না করা গরম খাবার বেছে নিন
  • • খাবারের দাম ও পরিমাণ আগে জেনে নিন
  • • রেস্টুরেন্টের পরিচ্ছন্নতা দেখে নিন
  • • পানির বোতল সিল করা কিনুন

ℹ️ জরুরি নম্বর: বাংলাদেশে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯। অসুস্থতা বা জরুরি পরিস্থিতিতে এই নম্বরে কল করতে পারেন। কক্সবাজারে স্থানীয় হাসপাতাল বা ক্লিনিকের তথ্য হোটেলের কাছে জেনে রাখুন।

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

কক্সবাজারে রাতের খাবার কোথায় পাওয়া যায়?

কক্সবাজারে রাতের খাবারের জন্য অনেক রেস্টুরেন্ট রয়েছে। এর মধ্যে হান্ডি (লাবনী পয়েন্ট), সল্ট বিস্ট্রো অ্যান্ড ক্যাফে (নিউ বিচ রোড), রূপসী বাংলা (সুগন্ধা পয়েন্ট), পৌষী (সুগন্ধা পয়েন্ট), মারমেইড ক্যাফে (সুগন্ধা বিচ) এবং সৈকতের পাশে বিভিন্ন বিচ ক্যাফে ও স্থানীয় রেস্টুরেন্ট উল্লেখযোগ্য। এসব জায়গায় বাংলাদেশি, ভারতীয় ও সি-ফুড পাওয়া যায়।

কক্সবাজারের রেস্টুরেন্টগুলো কখন খোলা থাকে?

কক্সবাজারের রেস্টুরেন্টগুলোর খোলার সময় আলাদা আলাদা। যেমন হান্ডি কক্সবাজার শাখা সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকে। সল্ট বিস্ট্রো অ্যান্ড ক্যাফে সকাল ১১টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকে। রূপসী বাংলা রেস্টুরেন্ট ভোর ৬টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত খোলা থাকে। পৌষী রেস্টুরেন্ট সকাল ৭টা থেকে রাত ১১:৩০ পর্যন্ত খোলা থাকে। তবে সময় পরিবর্তন হতে পারে, তাই যাওয়ার আগে যাচাই করে নেওয়া ভালো।

কক্সবাজারে রাতের খাবারে কী কী পাওয়া যায়?

কক্সবাজারের রেস্টুরেন্টে সাধারণত বাংলাদেশি খাবার (ভাত, মাছ, মাংস, ভর্তা), সি-ফুড (কাঁকড়া, চিংড়ি, মাছ), ভারতীয় খাবার (বিরিয়ানি, কারি) এবং বিচ ক্যাফেগুলোতে বার্গার, পাস্তা ও কন্টিনেন্টাল খাবার পাওয়া যায়। স্থানীয় স্বাদের জন্য চট্টগ্রাম স্টাইলের মাছ ও মাংসের পদ জনপ্রিয়।

কক্সবাজারে রাতের খাবারের দাম কেমন?

কক্সবাজারে রাতের খাবারের দাম রেস্টুরেন্ট ও পদের উপর নির্ভর করে। সাধারণ স্থানীয় রেস্টুরেন্টে ভাত-মাছ-মাংসের একটি পূর্ণ meal তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যায়। সৈকতের পাশে বিচ ক্যাফে ও ব্র্যান্ড রেস্টুরেন্টে দাম কিছুটা বেশি হতে পারে। নির্দিষ্ট কোনো দামের নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়, তাই যাওয়ার আগে মেনু দেখে নেওয়া ভালো।

কক্সবাজারে সি-ফুড রাতের খাবার কোথায় ভালো পাওয়া যায়?

কক্সবাজারে সি-ফুডের জন্য বিচের পাশের বিচ ক্যাফে, স্থানীয় রেস্টুরেন্ট এবং কিছু ব্র্যান্ড রেস্টুরেন্ট জনপ্রিয়। বিশেষ করে সৈকতের ধারে বিভিন্ন শ্যাক ও রেস্টুরেন্টে তাজা মাছ, চিংড়ি ও কাঁকড়া পাওয়া যায়। স্থানীয়দের কাছে চট্টগ্রাম স্টাইলের মাছের পদ বেশ জনপ্রিয়।

কক্সবাজারে রাতের খাবারের জন্য আগে থেকে টেবিল বুক করা যায়?

কিছু জনপ্রিয় রেস্টুরেন্টে ভিড়ের সময় টেবিল পেতে অপেক্ষা করতে হতে পারে। বিশেষ করে পর্যটন মৌসুমে বা ছুটির দিনে অপেক্ষার সময় বেশি হতে পারে। কিছু রেস্টুরেন্টে আগে থেকে টেবিল বুক করার সুযোগ থাকতে পারে, তবে তা রেস্টুরেন্টভেদে ভিন্ন। Coxroom.com কোনো নির্দিষ্ট রেস্টুরেন্টে বুকিং বা সংরক্ষণের সুবিধা দেয় না।

📝 জরুরি তথ্য ও শর্তাবলী

• এই পেজে দেওয়া রেস্টুরেন্টের নাম, খোলার সময় ও খাবারের তথ্য তৃতীয় পক্ষের সূত্র থেকে সংগৃহীত এবং পরিবর্তন সাপেক্ষ। Coxroom.com কোনো রেস্টুরেন্টের মান, পরিষেবা বা খোলার সময়ের নিশ্চয়তা দেয় না।

• রেস্টুরেন্টে খাওয়ার আগে দাম, উপকরণ ও পরিবেশ সম্পর্কে নিজে যাচাই করে নিন। Coxroom.com কোনো নির্দিষ্ট রেস্টুরেন্টের সুপারিশ বা গ্যারান্টি দেয় না।

• খাবারের অ্যালার্জি বা বিশেষ খাদ্যাভ্যাস থাকলে রেস্টুরেন্টে আগে থেকে জানিয়ে দিন।

• এই গাইড শুধুমাত্র তথ্যগত উদ্দেশ্যে তৈরি। ভ্রমণ ও খাবারের সিদ্ধান্ত ব্যবহারকারীর নিজস্ব দায়িত্ব।

লেখাটি যেভাবে বলে, সেভাবে সফর সাজান

এই ডিরেক্টরির আসল তালিকা — হোটেল বা সেবাদাতার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করুন। CoxRoom কোনো বুকিং নেয় না।

হোটেল

সব হোটেল দেখুন

দর্শনীয় স্থান

সব দর্শনীয় স্থান দেখুন
সব লেখা দেখুন